শিরোনামঃ
অনিয়মের বেড়াজালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ‎: মন্ত্রী-সচিবের নির্দেশ উপেক্ষিত, ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলালকে ঘিরে বিতর্ক শিল্পের পথেই আতিকা আফসানা চট্টগ্রাম হালিশহর বিআরটিএতে ফিটনেস বাণিজ্যের অভিযোগ দুর্নীতির আখড়া মুন্সীগঞ্জ সদর: পঁঞ্চসার ইউপি কর্মকর্তার আঙুল ফুলে কলাগাছ মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানী সিন্ডিকেট প্রধান স্বপনের ৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক ‎আওয়ামী সিন্ডিকেটের কবলে এলজিইডি: প্রশাসনের চরম অস্থিরতা চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য কমিটিতে বিতর্কিতদের দাপট: তৃণমূলের তীব্র ক্ষোভ চট্টগ্রাম বন্দরের টেন্ডারে অনিয়ম, শর্তে ‘ভূতুড়ে ম্যাজিক’

বিআরটি এর ভাতিজা রফিকও বহাল তবিয়তে

#
news image

কখনও ম্যানেজ মাষ্টার কখনো ভাতিজা। সু-চতুর এরই ব্যক্তি চতুরতাকে হার মানিয়েছেন তিনি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেকেও মানিয়ে নিয়েছেন তিনি। তার নাম রফিক ওরফে ভাতিজা রফিক।জানা গেছে, দেশের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা বিআরটিএ প্রকৌশললী রফিকুল ইসলাম ওরফে ভাতিজা রফিক। বহাল তবিয়তেই ঘুরে ফিরে এই জায়গায় থাকছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ঘুষ দূর্নীতি করে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। 

বিআরটিএ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রফিক ওরফে ভাতিজা রফিক একজন ধুরন্ধর প্রকৌশলী। শুধু তাই নয়, ম্যানেজ মাষ্টার নামে খ্যাত রফিক পতিত সরকারের প্রভাব খাটিয়ে এহেন কাজ নেই যে তিনি করেন নি। যার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পেত না বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এছাড়া সামনে রফিকের প্রশংসা করলেও আড়লে ছিল ভিন্নতা।এরই কর্মকর্তার উপর বিআরটিএ’ তটস্থ থাকত। প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামকে বিআরটিএ এর বরিশাবিভাগীয় কার্যালয়ে বদলী করার হয়। সেখানে মাত্র ৯ মাস দায়িত্ব পালনের ক্ষমতার দাপটে আবার তাকে ঢাকা সদর কার্যালয়ে বিআরটিএ এর রোড সেফটি ও বিআরটিএর ঢাকা মেট্রো সার্কে-৪ এর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। যিনি এক সময় পরিচয় দিতেন সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তার চাচা। তার অন্যতম সহযোগিদের মধ্যেচট্টহ্রাসের দেওয়াহাট, সুপারি ওয়ালা পাড়ার রাজা মিয়া  এন্ড সন্স, দিলু মিয়া এন্ড সন্স, চট্টগ্রামের ডাবল মুড়িং থানার দেওয়ানহাট মিস্ত্রিপাড়া। 

আবার চট্টগ্রামের পুলিশ লাইন্স এর ছোট পোল এলাকারইমাম ডেন্টিং, জাফর এন্ড কোম্পানি চট্টগ্রামের বাদুরতলা। গাউছিয়া মোটরস, বাদুরতলা চট্টগ্রাম। চট্ট্রগ্রামের বাদুরতলার মঞ্জু এন্ড কোম্পানি। আর চট্টগ্রামের সিএনজি অটোরিক্সার রেজিস্ট্রেশন দিবে বলে রফিক শোরুম গুলার মাধ্যমে প্রায় ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বিভিন্ন সূত্র অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া, ঢাকা জেলার সিএনজি অটোরিকশা রেজিস্ট্রেশনের একেকটা হইতে কমপক্ষে এক লক্ষ টাকা করে নিয়েছেন। যদি তিনি ৫ হাজার রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকেন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। দিগন্ত অটো সেন্টার, মগবাজার রেলগেট মালিক কমল কুমার রায় গৌতম এর কাছ থেকেও অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭-১১-২০২৫ রাত ১১:১৪

news image

কখনও ম্যানেজ মাষ্টার কখনো ভাতিজা। সু-চতুর এরই ব্যক্তি চতুরতাকে হার মানিয়েছেন তিনি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেকেও মানিয়ে নিয়েছেন তিনি। তার নাম রফিক ওরফে ভাতিজা রফিক।জানা গেছে, দেশের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা বিআরটিএ প্রকৌশললী রফিকুল ইসলাম ওরফে ভাতিজা রফিক। বহাল তবিয়তেই ঘুরে ফিরে এই জায়গায় থাকছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ঘুষ দূর্নীতি করে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। 

বিআরটিএ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রফিক ওরফে ভাতিজা রফিক একজন ধুরন্ধর প্রকৌশলী। শুধু তাই নয়, ম্যানেজ মাষ্টার নামে খ্যাত রফিক পতিত সরকারের প্রভাব খাটিয়ে এহেন কাজ নেই যে তিনি করেন নি। যার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পেত না বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এছাড়া সামনে রফিকের প্রশংসা করলেও আড়লে ছিল ভিন্নতা।এরই কর্মকর্তার উপর বিআরটিএ’ তটস্থ থাকত। প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামকে বিআরটিএ এর বরিশাবিভাগীয় কার্যালয়ে বদলী করার হয়। সেখানে মাত্র ৯ মাস দায়িত্ব পালনের ক্ষমতার দাপটে আবার তাকে ঢাকা সদর কার্যালয়ে বিআরটিএ এর রোড সেফটি ও বিআরটিএর ঢাকা মেট্রো সার্কে-৪ এর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। যিনি এক সময় পরিচয় দিতেন সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তার চাচা। তার অন্যতম সহযোগিদের মধ্যেচট্টহ্রাসের দেওয়াহাট, সুপারি ওয়ালা পাড়ার রাজা মিয়া  এন্ড সন্স, দিলু মিয়া এন্ড সন্স, চট্টগ্রামের ডাবল মুড়িং থানার দেওয়ানহাট মিস্ত্রিপাড়া। 

আবার চট্টগ্রামের পুলিশ লাইন্স এর ছোট পোল এলাকারইমাম ডেন্টিং, জাফর এন্ড কোম্পানি চট্টগ্রামের বাদুরতলা। গাউছিয়া মোটরস, বাদুরতলা চট্টগ্রাম। চট্ট্রগ্রামের বাদুরতলার মঞ্জু এন্ড কোম্পানি। আর চট্টগ্রামের সিএনজি অটোরিক্সার রেজিস্ট্রেশন দিবে বলে রফিক শোরুম গুলার মাধ্যমে প্রায় ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বিভিন্ন সূত্র অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া, ঢাকা জেলার সিএনজি অটোরিকশা রেজিস্ট্রেশনের একেকটা হইতে কমপক্ষে এক লক্ষ টাকা করে নিয়েছেন। যদি তিনি ৫ হাজার রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকেন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। দিগন্ত অটো সেন্টার, মগবাজার রেলগেট মালিক কমল কুমার রায় গৌতম এর কাছ থেকেও অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ।