শিরোনামঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের টেন্ডারে অনিয়ম, শর্তে ‘ভূতুড়ে ম্যাজিক’ বিসিএস ছাড়াই ৬ষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ, আদালতের স্থগিতাদেশও উপেক্ষা সহ বিস্ফোরক দুর্নীতি বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় সন্ত্রাসী কবির মুসার বিরুদ্ধে আরো একটি হত্যা মামলা দায়ের আওয়ামী সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরাদের আশীর্বাদ পুষ্ট আলাউদ্দিনকে ফায়ার সার্ভিসে নিয়োগ বসন্তের কোকিলরা ফিরছে: উত্তরাতে রাজনৈতিক সমীকরণ বদল ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মো. আলম মোস্তফার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পুরান ঢাকায় রাজউকের নীতিমালা অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণ চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি

বিসিএস ছাড়াই ৬ষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ, আদালতের স্থগিতাদেশও উপেক্ষা সহ বিস্ফোরক দুর্নীতি

#
news image

বৈষম্যবিরোধী আওয়ামী শাসনামলে সরকারি চাকরিতে দলীয়করণ, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বহু অভিযোগের মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের একটি নিয়োগ কেলেঙ্কারি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ প্রশ্রয়ে বিসিএস পরীক্ষায় পাস না করেও মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে গণপূর্ত অধিদপ্তরে সরাসরি ৬ষ্ঠ গ্রেডে নন-বিসিএস প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আর সেই বিতর্কিত নিয়োগপ্রাপ্তদের অন্যতম মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে একটি চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে প্রভাবশালী নির্বাহী প্রকৌশলী।

সূত্রমতে, গণপূর্ত অধিদপ্তরে সাধারণত ৯ম গ্রেডে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ দেওয়া হলেও, আওয়ামী লীগের দলীয়করণ নীতির আওতায় মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, শরীফ মিয়া, হারুনুর রহমান, মোঃ আলী তাহেরসহ কয়েকজনকে সরাসরি ৬ষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আছে, তাদের মধ্যে অনেকেই প্রকৌশলী হিসেবে কাজের যোগ্যতা রাখতেন না, শেখ হেলাল ও শেখ সেলিমের ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে পিএসডিসিভিত্তিক বিশেষ সুপারিশে চাকরি পান।

আরও ভয়াবহ অভিযোগ হলো-তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিএসডিসিভিত্তিক সরাসরি অ্যাসাইন মেনে নিয়ে কোনো লিখিত পরীক্ষা বা প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ছাড়াই শুধুমাত্র ভাইভা পরীক্ষার ভিত্তিতে ১৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে পিএসডিসির নাম ব্যবহার করেই সুপারিশ বাণিজ্য শুরু হয়।

এই অবৈধ নিয়োগের প্রতিবাদ করেন বিভিন্ন ক্যাডার কর্মকর্তারা। তারা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। আদালত ১৭টি পদ বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য সংরক্ষণের আদেশ দেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, আদালতের সেই আদেশও কার্যকর হয়নি। বরং সংরক্ষিত কর্মকর্তাদের ডিঙিয়ে অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের টিকিয়ে রাখা হয়।

সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে, আদালতের স্থগিতাদেশ চলাকালীন প্রায় ১১ মাস সরকারকে দেখিয়ে যোগদানপত্র তৈরি করা হয় এবং চাকরিতে উপস্থিত না থেকেও সরকারি কোষাগার থেকে বিপুল পরিমাণ বেতন উত্তোলন করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই সময় মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বায়োডাইভারসিটিতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং একই সময়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরে তিনি বেতন গ্রহণ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। অর্থাৎ একই সময়ে সরকারি অর্থ থেকে সরকারি দুই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দ্বৈত আর্থিক অনিয়ম ও সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু জাহাঙ্গীর আলম নন মোঃ আইয়ুব আলী মেরিন একাডেমিতে, মোঃ নাসির আহমেদ বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে থাকাকালীন গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করেন। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বেতন নিলেও ব্যাংকভিত্তিক সরকারি সুবিধা গ্রহণের সুবিধা ভোগ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তারা অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি চাকরি ছাড়াই উচ্চপদ, সরকারি এমপি থেকে মন্ত্রী, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন।

এদিকে সম্প্রতি গণপূর্ত অধিদপ্তরের “পি ডব্লিউ ডি ডিভিশন” ঘিরে নতুন করে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। পি ডব্লিউ ডি ডিভিশনের প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ২টি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কাজে কেন্দ্র করে নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম প্রভাবশালী এক ঠিকাদার প্রকৌশলীর সাথে যোগসাজশে বিশাল দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গণপূর্ত কার্যালয়ের কর্মকর্তারা সূত্রে জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। অভিযোগ অনুযায়ী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিপিপির আওতায় আশা বিপুল অঙ্কের ৬টি প্রকল্প গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়। প্রধান প্রকৌশলীর অনুমোদন সংক্রান্ত দুই পক্ষ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তদুপরি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগও ওঠে।

সূত্র আরও জানায়, প্রধান প্রকৌশলীর ভাই “মামুন”-এর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ঠিকাদারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চলছে। আর এই পুরো সিন্ডিকেট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

অভিযোগ রয়েছে, জাহাঙ্গীর আলম নিয়মিতভাবে ইতাল, পশু, কম্পিউটার, রিয়েল কম্পিউটার, আনোয়ার কম্পিউটার এবং ইউএস কম্পিউটার নামে ৫টি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা করে কাজ বণ্টন করেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কি এখনো নীরব থাকবে? আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কিভাবে অবৈধভাবে চাকরি দেওয়া প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পার পেয়ে যাচ্ছেন?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাপন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান নিপু বলেন, “রিপোর্টটি আগে দেখান, তারপর কীভাবে লেখা হয়েছে তা আমি আবার চেক করে রিপোর্ট দেবো।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো প্রশ্ন তুলেছে, ক্ষমতার ছত্রছায়া ছাড়া কি একজন বিতর্কিত কর্মকর্তা বছরের পর বছর এভাবে দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারেন? নাকি গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে এখনো সক্রিয় রয়েছে আওয়ামী আমলের সেই “শক্তিশালী দুর্নীতি সিন্ডিকেট”?

দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলোর প্রতি এখন নাগরিক সমাজের একটাই প্রত্যাশা, এই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

নিজেস্ব প্রতিবেদক

১৬-৫-২০২৬ বিকাল ৬:৩৩

news image

বৈষম্যবিরোধী আওয়ামী শাসনামলে সরকারি চাকরিতে দলীয়করণ, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বহু অভিযোগের মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের একটি নিয়োগ কেলেঙ্কারি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ প্রশ্রয়ে বিসিএস পরীক্ষায় পাস না করেও মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে গণপূর্ত অধিদপ্তরে সরাসরি ৬ষ্ঠ গ্রেডে নন-বিসিএস প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আর সেই বিতর্কিত নিয়োগপ্রাপ্তদের অন্যতম মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে একটি চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে প্রভাবশালী নির্বাহী প্রকৌশলী।

সূত্রমতে, গণপূর্ত অধিদপ্তরে সাধারণত ৯ম গ্রেডে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ দেওয়া হলেও, আওয়ামী লীগের দলীয়করণ নীতির আওতায় মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, শরীফ মিয়া, হারুনুর রহমান, মোঃ আলী তাহেরসহ কয়েকজনকে সরাসরি ৬ষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আছে, তাদের মধ্যে অনেকেই প্রকৌশলী হিসেবে কাজের যোগ্যতা রাখতেন না, শেখ হেলাল ও শেখ সেলিমের ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে পিএসডিসিভিত্তিক বিশেষ সুপারিশে চাকরি পান।

আরও ভয়াবহ অভিযোগ হলো-তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিএসডিসিভিত্তিক সরাসরি অ্যাসাইন মেনে নিয়ে কোনো লিখিত পরীক্ষা বা প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ছাড়াই শুধুমাত্র ভাইভা পরীক্ষার ভিত্তিতে ১৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে পিএসডিসির নাম ব্যবহার করেই সুপারিশ বাণিজ্য শুরু হয়।

এই অবৈধ নিয়োগের প্রতিবাদ করেন বিভিন্ন ক্যাডার কর্মকর্তারা। তারা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। আদালত ১৭টি পদ বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য সংরক্ষণের আদেশ দেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, আদালতের সেই আদেশও কার্যকর হয়নি। বরং সংরক্ষিত কর্মকর্তাদের ডিঙিয়ে অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের টিকিয়ে রাখা হয়।

সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে, আদালতের স্থগিতাদেশ চলাকালীন প্রায় ১১ মাস সরকারকে দেখিয়ে যোগদানপত্র তৈরি করা হয় এবং চাকরিতে উপস্থিত না থেকেও সরকারি কোষাগার থেকে বিপুল পরিমাণ বেতন উত্তোলন করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই সময় মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বায়োডাইভারসিটিতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং একই সময়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরে তিনি বেতন গ্রহণ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। অর্থাৎ একই সময়ে সরকারি অর্থ থেকে সরকারি দুই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দ্বৈত আর্থিক অনিয়ম ও সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু জাহাঙ্গীর আলম নন মোঃ আইয়ুব আলী মেরিন একাডেমিতে, মোঃ নাসির আহমেদ বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে থাকাকালীন গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করেন। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বেতন নিলেও ব্যাংকভিত্তিক সরকারি সুবিধা গ্রহণের সুবিধা ভোগ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তারা অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি চাকরি ছাড়াই উচ্চপদ, সরকারি এমপি থেকে মন্ত্রী, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন।

এদিকে সম্প্রতি গণপূর্ত অধিদপ্তরের “পি ডব্লিউ ডি ডিভিশন” ঘিরে নতুন করে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। পি ডব্লিউ ডি ডিভিশনের প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ২টি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কাজে কেন্দ্র করে নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম প্রভাবশালী এক ঠিকাদার প্রকৌশলীর সাথে যোগসাজশে বিশাল দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গণপূর্ত কার্যালয়ের কর্মকর্তারা সূত্রে জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। অভিযোগ অনুযায়ী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিপিপির আওতায় আশা বিপুল অঙ্কের ৬টি প্রকল্প গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়। প্রধান প্রকৌশলীর অনুমোদন সংক্রান্ত দুই পক্ষ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তদুপরি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগও ওঠে।

সূত্র আরও জানায়, প্রধান প্রকৌশলীর ভাই “মামুন”-এর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ঠিকাদারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চলছে। আর এই পুরো সিন্ডিকেট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

অভিযোগ রয়েছে, জাহাঙ্গীর আলম নিয়মিতভাবে ইতাল, পশু, কম্পিউটার, রিয়েল কম্পিউটার, আনোয়ার কম্পিউটার এবং ইউএস কম্পিউটার নামে ৫টি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা করে কাজ বণ্টন করেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কি এখনো নীরব থাকবে? আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কিভাবে অবৈধভাবে চাকরি দেওয়া প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পার পেয়ে যাচ্ছেন?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাপন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান নিপু বলেন, “রিপোর্টটি আগে দেখান, তারপর কীভাবে লেখা হয়েছে তা আমি আবার চেক করে রিপোর্ট দেবো।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো প্রশ্ন তুলেছে, ক্ষমতার ছত্রছায়া ছাড়া কি একজন বিতর্কিত কর্মকর্তা বছরের পর বছর এভাবে দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারেন? নাকি গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে এখনো সক্রিয় রয়েছে আওয়ামী আমলের সেই “শক্তিশালী দুর্নীতি সিন্ডিকেট”?

দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলোর প্রতি এখন নাগরিক সমাজের একটাই প্রত্যাশা, এই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হোক।