উথুরা ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন এর বিরুদ্ধে দূর্ণীতি ও সরকারি বন ভূমি বিক্রির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫-৯-২০২৬ রাত ১০:৩২
উথুরা ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন এর বিরুদ্ধে দূর্ণীতি ও সরকারি বন ভূমি বিক্রির অভিযোগ
ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে কাঠ-পাচার, টাকার বিনিময়ে বনভূমিতে ঘর নির্মাণের অনুমতিসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে
বন বিভাগের দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ইসমাইল হোসেন ডেপুটি রেঞ্জার শীর্ষে। তার বদলির পরেও সে রয়ে গেছে ময়মনসিংহ বন বিভাগে। অনুসন্ধানে বের হয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। উথুরা রেঞ্জের আঙ্গারগারা বিটের শহীদের মোড় থেকে ১০০ গজ সামনে ইন্টারগেট রাস্তার হাতের ডানে শফিকুল ইসলামকে পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৮০০০০/- টাকা নিয়েছেন। একই এলাকার ধনু নেতার বাড়ির কাছে গার্মেন্টস কর্মী আলম ও তার স্ত্রী মুক্তাকে পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৫০০০০/- টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইন্টারগেট থেকে আউলিয়ারচালা যাওয়ার পথে খালপাড়া নামক স্থানে গজারি বাগানের টিলায় মোশাররফ হোসেনকে পাকা বিল্ডিং নির্মাণের অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৫০০০০/- টাকা নিয়েছেন। ঢালপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুজিবরকে ৮ রুমের পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ২৫০০০০/- নিয়েছেন।
মুক্তিযোদ্ধার মোড় গজারি বাগান হিজলাপাড়া এলাকার ইয়াছিন পিতা মোশাররফ হোসেনকে বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৮০০০০/- ঘুষ নিয়ে বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়েছেন।
আউলিয়ার বড়চালা এলাকার কাঁচা রাস্তার পাশে পল্লী চিকিৎসক বেলাল হোসেনের জামাইকে ২ তলা পাকা বিল্ডিং নির্মাণের অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ৩৫০০০০/- ঘুষ নিয়েছেন। কালিবাড়ির মোড়ে রুবেল হুজুর কে দোতলা পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ৩ ০০০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক উথুরা রেঞ্জ পরিদর্শনে যাওয়ার পর অফিস খরচের কথা বলে মোঃ ইসমাইল হোসেন অফিস কম্পাউন্ডে থাকা জব্দকৃত আকাশমনি গাছ বিক্রি করে দিয়ে নিজের পকেটে টাকা নিয়েছেন বলে স্টাফদের অভিযোগ।
আঙ্গারগারা বিট এলাকায় ছোট বড় ২০ টি বিল্ডিং নির্মাণের কাজ চলমান আছে। এসব বিল্ডিং হতে উথুরা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহ বন বিভাগ হতে সিলেট বন বিভাগে বদলি হওয়ার পরও সেখানে থেকেই ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।
ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়েরের তথ্য রয়েছে। এমনকি টাঙ্গাইল বন বিভাগে কর্মরত থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে, যা পরবর্তীতে ধামাচাপা দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়। তার এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তৎকালীন এক কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন, যা তদন্তাধীন রয়েছে।
বন ভূমির জমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেয়া, নারি কেলেঙ্কারি, কাঠ পাচার ও বিভিন্ন বিট থেকে মাসোয়ারা নেয়ার সত্যতা জানতে ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করলে ব্যস্ততার কথা বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এমনকি তার সাথে কথা বলার পরে স্থানীয় এক সাংবাদিক দৈনিক সকালের সময়'র নিজস্ব প্রতিবেদক জাহাঙ্গীর আলম শাহীনকে মুঠেফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে চান আপনি উথুরা ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলকে ফোন দিয়েছিলেন কি কারনে আমাকে বলবেন কি?
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫-৯-২০২৬ রাত ১০:৩২
ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে কাঠ-পাচার, টাকার বিনিময়ে বনভূমিতে ঘর নির্মাণের অনুমতিসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে
বন বিভাগের দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ইসমাইল হোসেন ডেপুটি রেঞ্জার শীর্ষে। তার বদলির পরেও সে রয়ে গেছে ময়মনসিংহ বন বিভাগে। অনুসন্ধানে বের হয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। উথুরা রেঞ্জের আঙ্গারগারা বিটের শহীদের মোড় থেকে ১০০ গজ সামনে ইন্টারগেট রাস্তার হাতের ডানে শফিকুল ইসলামকে পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৮০০০০/- টাকা নিয়েছেন। একই এলাকার ধনু নেতার বাড়ির কাছে গার্মেন্টস কর্মী আলম ও তার স্ত্রী মুক্তাকে পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৫০০০০/- টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইন্টারগেট থেকে আউলিয়ারচালা যাওয়ার পথে খালপাড়া নামক স্থানে গজারি বাগানের টিলায় মোশাররফ হোসেনকে পাকা বিল্ডিং নির্মাণের অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৫০০০০/- টাকা নিয়েছেন। ঢালপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুজিবরকে ৮ রুমের পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ২৫০০০০/- নিয়েছেন।
মুক্তিযোদ্ধার মোড় গজারি বাগান হিজলাপাড়া এলাকার ইয়াছিন পিতা মোশাররফ হোসেনকে বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ১৮০০০০/- ঘুষ নিয়ে বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়েছেন।
আউলিয়ার বড়চালা এলাকার কাঁচা রাস্তার পাশে পল্লী চিকিৎসক বেলাল হোসেনের জামাইকে ২ তলা পাকা বিল্ডিং নির্মাণের অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ৩৫০০০০/- ঘুষ নিয়েছেন। কালিবাড়ির মোড়ে রুবেল হুজুর কে দোতলা পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন ৩ ০০০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক উথুরা রেঞ্জ পরিদর্শনে যাওয়ার পর অফিস খরচের কথা বলে মোঃ ইসমাইল হোসেন অফিস কম্পাউন্ডে থাকা জব্দকৃত আকাশমনি গাছ বিক্রি করে দিয়ে নিজের পকেটে টাকা নিয়েছেন বলে স্টাফদের অভিযোগ।
আঙ্গারগারা বিট এলাকায় ছোট বড় ২০ টি বিল্ডিং নির্মাণের কাজ চলমান আছে। এসব বিল্ডিং হতে উথুরা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহ বন বিভাগ হতে সিলেট বন বিভাগে বদলি হওয়ার পরও সেখানে থেকেই ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।
ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়েরের তথ্য রয়েছে। এমনকি টাঙ্গাইল বন বিভাগে কর্মরত থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে, যা পরবর্তীতে ধামাচাপা দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়। তার এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তৎকালীন এক কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন, যা তদন্তাধীন রয়েছে।
বন ভূমির জমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেয়া, নারি কেলেঙ্কারি, কাঠ পাচার ও বিভিন্ন বিট থেকে মাসোয়ারা নেয়ার সত্যতা জানতে ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করলে ব্যস্ততার কথা বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এমনকি তার সাথে কথা বলার পরে স্থানীয় এক সাংবাদিক দৈনিক সকালের সময়'র নিজস্ব প্রতিবেদক জাহাঙ্গীর আলম শাহীনকে মুঠেফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে চান আপনি উথুরা ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলকে ফোন দিয়েছিলেন কি কারনে আমাকে বলবেন কি?