গণপূর্ত সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-প্লট জালিয়াতি ও তথ্য পাচারের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪-৮-২০২৬ দুপুর ১০:২০
গণপূর্ত সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-প্লট জালিয়াতি ও তথ্য পাচারের অভিযোগ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে সচিবের দপ্তরে অর্থের বিনিময়ে দাপ্তরিক তথ্য পাচার, দায়িত্বের অপব্যবহার এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে বেপরোয়া হয়ে উঠছে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা গাজী মোকছেদ, যা মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি দিন দিন ব্যাপকভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।
গাজী মোকছেদ বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা থাকাকালীন নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাগিয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ঢাকার লালমাটিয়া এলাকায় ফ্ল্যাট, যার ঠিকানা- লালমাটিয়া ৫৪ ফ্ল্যাট প্রকল্প, স্বপ্নপুরী আবাসন, ফ্ল্যাট নং বি-৯ এবং রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্পে প্লট, যার ঠিকানা-সেক্টর-০৪, রোড-১৪, প্লট নং-১০, ঝিলমিল, ঢাকা। নিয়মে রয়েছে একই ব্যক্তি সরকারের ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিলে প্লট বরাদ্দ নেয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাব খাটিয়ে গাজী মোকছেদ তা করেছেন-যা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি রাখে। এছাড়া গাজী মোকছেদের মিরপুরের রূপনগর এলাকায়, ইস্কাটন এলাকায় রয়েছে ফ্ল্যাট এবং বাগিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
গাজী মোকছেদ বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট আমলের সকল সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই প্রেক্ষিতে বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের সচিবদের সাথে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং কন্টিনিউ সে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করছেন, এতে সরকারকে বেকায়দায় ফেলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয় এই গাজী মোকছেদ কম্পিউটার চালানোতে একেবারেই অদক্ষ হওয়ার পরেও ফ্যাসিস্ট সরকারের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদে প্রমোশন নেন-যার সুষ্ঠু তদন্ত করা একান্ত প্রয়োজন।অভিযোগ রয়েছে এই গাজী মোকছেদের সাথে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী পন্থীদের সখ্যতা রয়েছে এবং অর্থের বিনিময়ে তাদের কাছে তথ্য পাচার করে, যা দিন দিন মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। সচিবের দপ্তরে দপ্তর/সংস্থার কোন
কর্মকর্তা/কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হলে তাদেরকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করেন এবং সমাধান করে দেয়ার কথা বলে মোটা অংকের অর্থ আদায় করেন এবং অর্থের বিনিময়ে অভিযোগ গায়েব করেন। এমনকি কোন ফাইলের জন্য কেউ তদবিরে আসলে তাদেরকেও বাগে নিয়ে অর্থ আদায় করেন। এছাড়া সচিবের দপ্তরে কোন ফাইল আসলে ফাইলের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সুযোগ বুঝে ফোন দেয়া হয় এবং ফাইলে তদবিরের নাম করে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। কোন দাপ্তরিক চিঠি আসলে চিঠির ধরন বুঝে সংশ্লিষ্টকে জানিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সচিবের দপ্তরের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে সমস্থ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
আলোচ্য বিষয়গুলো নিয়ে সাথে কথা বলতে চাইলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যান।এ থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, সচিবের দপ্তরের সকল স্টাফ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত বিধায় সংঘবদ্ধভাবে বিনা বাধায় ফ্যাসিস্টদের নিকট বেপরোয়াভাবে তথ্য পাচার করতে সক্ষম হচ্ছে এবং বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থ অফিস শেষে সকল স্টাফদের মধ্যে সুযোগ বুঝে ভাগবাটোয়ারায় লিপ্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে এই নিয়ে একটা সরগোল পড়ে গেছে। ভুক্তভোগীরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং সচিব মহোদয়ের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সচিবালয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের সচিবের দপ্তরে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমল থেকে দীর্ঘদিন একই ব্যক্তিদের কর্মরত থাকা, দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা, ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব, প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দের নথি, ব্যাংক লেনদেন এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের রেকর্ড পরীক্ষা করারও দাবি জানানো হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪-৮-২০২৬ দুপুর ১০:২০
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে সচিবের দপ্তরে অর্থের বিনিময়ে দাপ্তরিক তথ্য পাচার, দায়িত্বের অপব্যবহার এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে বেপরোয়া হয়ে উঠছে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা গাজী মোকছেদ, যা মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি দিন দিন ব্যাপকভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।
গাজী মোকছেদ বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা থাকাকালীন নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাগিয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ঢাকার লালমাটিয়া এলাকায় ফ্ল্যাট, যার ঠিকানা- লালমাটিয়া ৫৪ ফ্ল্যাট প্রকল্প, স্বপ্নপুরী আবাসন, ফ্ল্যাট নং বি-৯ এবং রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্পে প্লট, যার ঠিকানা-সেক্টর-০৪, রোড-১৪, প্লট নং-১০, ঝিলমিল, ঢাকা। নিয়মে রয়েছে একই ব্যক্তি সরকারের ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিলে প্লট বরাদ্দ নেয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাব খাটিয়ে গাজী মোকছেদ তা করেছেন-যা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি রাখে। এছাড়া গাজী মোকছেদের মিরপুরের রূপনগর এলাকায়, ইস্কাটন এলাকায় রয়েছে ফ্ল্যাট এবং বাগিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
গাজী মোকছেদ বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট আমলের সকল সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই প্রেক্ষিতে বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের সচিবদের সাথে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং কন্টিনিউ সে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করছেন, এতে সরকারকে বেকায়দায় ফেলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয় এই গাজী মোকছেদ কম্পিউটার চালানোতে একেবারেই অদক্ষ হওয়ার পরেও ফ্যাসিস্ট সরকারের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদে প্রমোশন নেন-যার সুষ্ঠু তদন্ত করা একান্ত প্রয়োজন।অভিযোগ রয়েছে এই গাজী মোকছেদের সাথে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী পন্থীদের সখ্যতা রয়েছে এবং অর্থের বিনিময়ে তাদের কাছে তথ্য পাচার করে, যা দিন দিন মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। সচিবের দপ্তরে দপ্তর/সংস্থার কোন
কর্মকর্তা/কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হলে তাদেরকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করেন এবং সমাধান করে দেয়ার কথা বলে মোটা অংকের অর্থ আদায় করেন এবং অর্থের বিনিময়ে অভিযোগ গায়েব করেন। এমনকি কোন ফাইলের জন্য কেউ তদবিরে আসলে তাদেরকেও বাগে নিয়ে অর্থ আদায় করেন। এছাড়া সচিবের দপ্তরে কোন ফাইল আসলে ফাইলের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সুযোগ বুঝে ফোন দেয়া হয় এবং ফাইলে তদবিরের নাম করে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। কোন দাপ্তরিক চিঠি আসলে চিঠির ধরন বুঝে সংশ্লিষ্টকে জানিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সচিবের দপ্তরের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে সমস্থ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
আলোচ্য বিষয়গুলো নিয়ে সাথে কথা বলতে চাইলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যান।এ থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, সচিবের দপ্তরের সকল স্টাফ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত বিধায় সংঘবদ্ধভাবে বিনা বাধায় ফ্যাসিস্টদের নিকট বেপরোয়াভাবে তথ্য পাচার করতে সক্ষম হচ্ছে এবং বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থ অফিস শেষে সকল স্টাফদের মধ্যে সুযোগ বুঝে ভাগবাটোয়ারায় লিপ্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে এই নিয়ে একটা সরগোল পড়ে গেছে। ভুক্তভোগীরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং সচিব মহোদয়ের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সচিবালয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের সচিবের দপ্তরে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমল থেকে দীর্ঘদিন একই ব্যক্তিদের কর্মরত থাকা, দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা, ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব, প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দের নথি, ব্যাংক লেনদেন এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের রেকর্ড পরীক্ষা করারও দাবি জানানো হয়েছে।