শিরোনামঃ
চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য কমিটিতে বিতর্কিতদের দাপট: তৃণমূলের তীব্র ক্ষোভ চট্টগ্রাম বন্দরের টেন্ডারে অনিয়ম, শর্তে ‘ভূতুড়ে ম্যাজিক’ বিসিএস ছাড়াই ৬ষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ, আদালতের স্থগিতাদেশও উপেক্ষা সহ বিস্ফোরক দুর্নীতি বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় সন্ত্রাসী কবির মুসার বিরুদ্ধে আরো একটি হত্যা মামলা দায়ের আওয়ামী সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরাদের আশীর্বাদ পুষ্ট আলাউদ্দিনকে ফায়ার সার্ভিসে নিয়োগ বসন্তের কোকিলরা ফিরছে: উত্তরাতে রাজনৈতিক সমীকরণ বদল ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মো. আলম মোস্তফার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

#
news image

চট্টগ্রাম বন বিভাগের  কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বন একাডেমির  পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন । একাধিক সূত্রে  জানা যায়,  চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকার উত্তরা, উত্তরখান মৌজায়  চার(৪) স্থানে মোট ২০ শতাংশ জমি রয়েছে যার  বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকার অধিক ।   ঢাকা উত্তরায় দিয়াবাড়িতে  তার নিজ নামে  প্রায় ১৬৫৪ স্কয়ার ফিটের একটি বিলাসবহুল ফ্লাট রয়েছে যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা এবং স্ত্রীর বড় ভাইয় নূরে আজম ভূঁইয়া এর নামে   বিপুল পরিমাণ  অর্থ - সম্পত্তি রয়েছে ।  এছাড়া কিশোরগঞ্জ শহরের একটি বিলাসবহুল  ডুপ্লেক্স  বাড়ির মালিকানার অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।

একটি বিশ্বস্ত  সূত্র  দাবি করেন, তার স্ত্রীর বড় ভাই নূরে আজম  ভূইয়ার    পরিচালিত দিবা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি  বন বিভাগের  কাজের সুবিধা নিয়েছেন বলে জানা যায় । একই সঙ্গে অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও করা হয়েছে অভিযুক্ত আমিনুলের বিরুদ্ধে । অন্য একটি সূত্রে জানা যায় তার চাকরি জীবনে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয়  বন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন সেখানে দুর্নীতির চিত্র  রেখে গেছেন। যেমন বান্দরবান, বাগেরহাট,বগুড়া ও ঢাকা । 

তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো: আমিনুল ইসলাম দৈনিক সকালের সময় এই প্রতিবেদক কে বলেন, কিশোরগঞ্জের বাড়ি আমার  উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। অন্যদিকে  সূত্রের পাওয়া  সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তথ্যাদি যাচাইয়ের যাচাই বাছাই করে দেখা যায়  উত্তরা দিয়াবাড়ি ফ্লাট তার নিজের নামে করেছেনদিয়াবাড়ি ফ্লাট তার । তার  দেওয়া ট্যাক্স ফাইলে  এই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের কথা ও তার স্ত্রীর একাধিক বাড়ির জমি তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করে নাই । 

এ বিষয়ে  মো: আমিনুল ইসলামের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার সকল সম্পত্তি বৈধ পথে অর্জন করা। আমার কোন অবৈধ সম্পত্তি নেই।   তিনি এই বক্তব্য দেওয়ার পরে গত  ২০ জুন  (শনিবার)  রাত্রে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি  এই প্রতিবেদক কে বলেন, এই নিউজটা একটু এড়িয়ে যান তিনি আমার বন্ধু মানুষ। 

সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা মহল অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে জনমনে আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১-৭-২০২৬ দুপুর ২:৩০

news image

চট্টগ্রাম বন বিভাগের  কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বন একাডেমির  পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন । একাধিক সূত্রে  জানা যায়,  চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকার উত্তরা, উত্তরখান মৌজায়  চার(৪) স্থানে মোট ২০ শতাংশ জমি রয়েছে যার  বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকার অধিক ।   ঢাকা উত্তরায় দিয়াবাড়িতে  তার নিজ নামে  প্রায় ১৬৫৪ স্কয়ার ফিটের একটি বিলাসবহুল ফ্লাট রয়েছে যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা এবং স্ত্রীর বড় ভাইয় নূরে আজম ভূঁইয়া এর নামে   বিপুল পরিমাণ  অর্থ - সম্পত্তি রয়েছে ।  এছাড়া কিশোরগঞ্জ শহরের একটি বিলাসবহুল  ডুপ্লেক্স  বাড়ির মালিকানার অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।

একটি বিশ্বস্ত  সূত্র  দাবি করেন, তার স্ত্রীর বড় ভাই নূরে আজম  ভূইয়ার    পরিচালিত দিবা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি  বন বিভাগের  কাজের সুবিধা নিয়েছেন বলে জানা যায় । একই সঙ্গে অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও করা হয়েছে অভিযুক্ত আমিনুলের বিরুদ্ধে । অন্য একটি সূত্রে জানা যায় তার চাকরি জীবনে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয়  বন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন সেখানে দুর্নীতির চিত্র  রেখে গেছেন। যেমন বান্দরবান, বাগেরহাট,বগুড়া ও ঢাকা । 

তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো: আমিনুল ইসলাম দৈনিক সকালের সময় এই প্রতিবেদক কে বলেন, কিশোরগঞ্জের বাড়ি আমার  উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। অন্যদিকে  সূত্রের পাওয়া  সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তথ্যাদি যাচাইয়ের যাচাই বাছাই করে দেখা যায়  উত্তরা দিয়াবাড়ি ফ্লাট তার নিজের নামে করেছেনদিয়াবাড়ি ফ্লাট তার । তার  দেওয়া ট্যাক্স ফাইলে  এই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের কথা ও তার স্ত্রীর একাধিক বাড়ির জমি তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করে নাই । 

এ বিষয়ে  মো: আমিনুল ইসলামের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার সকল সম্পত্তি বৈধ পথে অর্জন করা। আমার কোন অবৈধ সম্পত্তি নেই।   তিনি এই বক্তব্য দেওয়ার পরে গত  ২০ জুন  (শনিবার)  রাত্রে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি  এই প্রতিবেদক কে বলেন, এই নিউজটা একটু এড়িয়ে যান তিনি আমার বন্ধু মানুষ। 

সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা মহল অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে জনমনে আস্থা বৃদ্ধি পাবে।