চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
১-৭-২০২৬ দুপুর ২:৩০
চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
চট্টগ্রাম বন বিভাগের কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন । একাধিক সূত্রে জানা যায়, চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকার উত্তরা, উত্তরখান মৌজায় চার(৪) স্থানে মোট ২০ শতাংশ জমি রয়েছে যার বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকার অধিক । ঢাকা উত্তরায় দিয়াবাড়িতে তার নিজ নামে প্রায় ১৬৫৪ স্কয়ার ফিটের একটি বিলাসবহুল ফ্লাট রয়েছে যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা এবং স্ত্রীর বড় ভাইয় নূরে আজম ভূঁইয়া এর নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ - সম্পত্তি রয়েছে । এছাড়া কিশোরগঞ্জ শহরের একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ির মালিকানার অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।
একটি বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করেন, তার স্ত্রীর বড় ভাই নূরে আজম ভূইয়ার পরিচালিত দিবা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি বন বিভাগের কাজের সুবিধা নিয়েছেন বলে জানা যায় । একই সঙ্গে অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও করা হয়েছে অভিযুক্ত আমিনুলের বিরুদ্ধে । অন্য একটি সূত্রে জানা যায় তার চাকরি জীবনে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন সেখানে দুর্নীতির চিত্র রেখে গেছেন। যেমন বান্দরবান, বাগেরহাট,বগুড়া ও ঢাকা ।
তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো: আমিনুল ইসলাম দৈনিক সকালের সময় এই প্রতিবেদক কে বলেন, কিশোরগঞ্জের বাড়ি আমার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। অন্যদিকে সূত্রের পাওয়া সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তথ্যাদি যাচাইয়ের যাচাই বাছাই করে দেখা যায় উত্তরা দিয়াবাড়ি ফ্লাট তার নিজের নামে করেছেনদিয়াবাড়ি ফ্লাট তার । তার দেওয়া ট্যাক্স ফাইলে এই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের কথা ও তার স্ত্রীর একাধিক বাড়ির জমি তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করে নাই ।
এ বিষয়ে মো: আমিনুল ইসলামের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার সকল সম্পত্তি বৈধ পথে অর্জন করা। আমার কোন অবৈধ সম্পত্তি নেই। তিনি এই বক্তব্য দেওয়ার পরে গত ২০ জুন (শনিবার) রাত্রে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি এই প্রতিবেদক কে বলেন, এই নিউজটা একটু এড়িয়ে যান তিনি আমার বন্ধু মানুষ।
সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা মহল অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে জনমনে আস্থা বৃদ্ধি পাবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১-৭-২০২৬ দুপুর ২:৩০
চট্টগ্রাম বন বিভাগের কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন । একাধিক সূত্রে জানা যায়, চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকার উত্তরা, উত্তরখান মৌজায় চার(৪) স্থানে মোট ২০ শতাংশ জমি রয়েছে যার বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকার অধিক । ঢাকা উত্তরায় দিয়াবাড়িতে তার নিজ নামে প্রায় ১৬৫৪ স্কয়ার ফিটের একটি বিলাসবহুল ফ্লাট রয়েছে যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা এবং স্ত্রীর বড় ভাইয় নূরে আজম ভূঁইয়া এর নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ - সম্পত্তি রয়েছে । এছাড়া কিশোরগঞ্জ শহরের একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ির মালিকানার অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।
একটি বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করেন, তার স্ত্রীর বড় ভাই নূরে আজম ভূইয়ার পরিচালিত দিবা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি বন বিভাগের কাজের সুবিধা নিয়েছেন বলে জানা যায় । একই সঙ্গে অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও করা হয়েছে অভিযুক্ত আমিনুলের বিরুদ্ধে । অন্য একটি সূত্রে জানা যায় তার চাকরি জীবনে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন সেখানে দুর্নীতির চিত্র রেখে গেছেন। যেমন বান্দরবান, বাগেরহাট,বগুড়া ও ঢাকা ।
তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো: আমিনুল ইসলাম দৈনিক সকালের সময় এই প্রতিবেদক কে বলেন, কিশোরগঞ্জের বাড়ি আমার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। অন্যদিকে সূত্রের পাওয়া সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তথ্যাদি যাচাইয়ের যাচাই বাছাই করে দেখা যায় উত্তরা দিয়াবাড়ি ফ্লাট তার নিজের নামে করেছেনদিয়াবাড়ি ফ্লাট তার । তার দেওয়া ট্যাক্স ফাইলে এই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের কথা ও তার স্ত্রীর একাধিক বাড়ির জমি তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করে নাই ।
এ বিষয়ে মো: আমিনুল ইসলামের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার সকল সম্পত্তি বৈধ পথে অর্জন করা। আমার কোন অবৈধ সম্পত্তি নেই। তিনি এই বক্তব্য দেওয়ার পরে গত ২০ জুন (শনিবার) রাত্রে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি এই প্রতিবেদক কে বলেন, এই নিউজটা একটু এড়িয়ে যান তিনি আমার বন্ধু মানুষ।
সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা মহল অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে জনমনে আস্থা বৃদ্ধি পাবে।