শিরোনামঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের টেন্ডারে অনিয়ম, শর্তে ‘ভূতুড়ে ম্যাজিক’ বিসিএস ছাড়াই ৬ষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ, আদালতের স্থগিতাদেশও উপেক্ষা সহ বিস্ফোরক দুর্নীতি বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় সন্ত্রাসী কবির মুসার বিরুদ্ধে আরো একটি হত্যা মামলা দায়ের আওয়ামী সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরাদের আশীর্বাদ পুষ্ট আলাউদ্দিনকে ফায়ার সার্ভিসে নিয়োগ বসন্তের কোকিলরা ফিরছে: উত্তরাতে রাজনৈতিক সমীকরণ বদল ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মো. আলম মোস্তফার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পুরান ঢাকায় রাজউকের নীতিমালা অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণ চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি

দুর্নীতির বরপুত্র চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কম্পিউটার অপারেটর সোহেল রানা

#
news image

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনস্থ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় কর্মরত অফিস সহকারি কাম- কম্পিউটার অপারেটর মো. সোহেল রানা। যিনি এই সরকারী প্রতিষ্ঠানের একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর দায়িত্বে কর্মরত অবস্থায় নিয়মবর্হিভূত অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে কোটি টাকার মালিক হন।

বিভিন্নভাবে অনৈতিক কাজ করিয়ে দেওয়া ও অন্যায় কাজকে ন্যায়ভাবে করানোর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে। যা তার চাকরির বেতনের সাথে ব্যাপক অসঙ্গতি রয়েছে।এই দুর্নীতিবাজ কর্মচারী চাকরী জীবনের শুরু থেকেই ঘুষ ও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। সরকারি অফিসে অনিয়মে অর্জিত টাকায় নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির পাহাড়।

সোহেল রানার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি ২০১০ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পান। তিনি বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি জীবন নগরে গড়ে তুলেছেন ৩ তলা আলিশান বাড়ি, জীবন নগর মাঠে নামে বেনামে কিনেছেন ৬ বিঘা জমি, রাজশাহী বাঘায় কিনেছেন ৪ বিঘা আম বাগান, ব্যবহারের জন্য বোন জামাইয়ের নামে  কিনেছেন ৪ চাকার গাড়ি, এছাড়াও ব্যাংকে নগদ অর্থসহ গড়ে তুলেছেন নামে বেনামে অর্থ সম্পদের পাহাড়।

এবিষয়ে সোহেল রানার কাছে জনতে চাইলে তিনি  বলেন, যে কোন একজন মানুষের এটুকু সম্পত্তি থাকতেই পারে। এছাড়া আমার আরো সম্পত্তি আছে যা পৈত্রিক সম্পত্তি। 

এবিষয়ে আরো জানতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদা ইসলামকে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি এই যায়গা নতুন আসছি, তার সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়নি তাই একজন মানুষের সম্পর্কে না জেনে কোন বক্তব্য দেয়া ঠিক হবে না । তার এই অভিযোগের বিষয় যদি সত্য হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০-১২-২০২৪ দুপুর ২:১১

news image

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনস্থ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় কর্মরত অফিস সহকারি কাম- কম্পিউটার অপারেটর মো. সোহেল রানা। যিনি এই সরকারী প্রতিষ্ঠানের একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর দায়িত্বে কর্মরত অবস্থায় নিয়মবর্হিভূত অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে কোটি টাকার মালিক হন।

বিভিন্নভাবে অনৈতিক কাজ করিয়ে দেওয়া ও অন্যায় কাজকে ন্যায়ভাবে করানোর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে। যা তার চাকরির বেতনের সাথে ব্যাপক অসঙ্গতি রয়েছে।এই দুর্নীতিবাজ কর্মচারী চাকরী জীবনের শুরু থেকেই ঘুষ ও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। সরকারি অফিসে অনিয়মে অর্জিত টাকায় নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির পাহাড়।

সোহেল রানার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি ২০১০ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পান। তিনি বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি জীবন নগরে গড়ে তুলেছেন ৩ তলা আলিশান বাড়ি, জীবন নগর মাঠে নামে বেনামে কিনেছেন ৬ বিঘা জমি, রাজশাহী বাঘায় কিনেছেন ৪ বিঘা আম বাগান, ব্যবহারের জন্য বোন জামাইয়ের নামে  কিনেছেন ৪ চাকার গাড়ি, এছাড়াও ব্যাংকে নগদ অর্থসহ গড়ে তুলেছেন নামে বেনামে অর্থ সম্পদের পাহাড়।

এবিষয়ে সোহেল রানার কাছে জনতে চাইলে তিনি  বলেন, যে কোন একজন মানুষের এটুকু সম্পত্তি থাকতেই পারে। এছাড়া আমার আরো সম্পত্তি আছে যা পৈত্রিক সম্পত্তি। 

এবিষয়ে আরো জানতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদা ইসলামকে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি এই যায়গা নতুন আসছি, তার সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়নি তাই একজন মানুষের সম্পর্কে না জেনে কোন বক্তব্য দেয়া ঠিক হবে না । তার এই অভিযোগের বিষয় যদি সত্য হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে ।